ইরানের হামলায় নিহতের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর অবশেষে ভিডিও বার্তায় জনসমক্ষে এসেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ভিডিওতে তাকে সুস্থ অবস্থায় দেখা গেলেও তার কণ্ঠে ছিল যুদ্ধের খরচের দুশ্চিন্তা। ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাত চালিয়ে নিতে বিশেষ বাজেট ঘোষণার প্রয়োজনীয়তার কথা জানান তিনি।
ভিডিও বার্তায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত এই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই যে আমাদের যুদ্ধ শুরু করতে হতো।
তবে এই যুদ্ধের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন। এই বিপুল ব্যয় সামাল দিতে প্রতিরক্ষা খাতের জন্য আমাদের কয়েক বিলিয়ন শেকেল (ইসরায়েলি মুদ্রা) বরাদ্দ সংবলিত বিশেষ বাজেটের দরকার।
এর আগে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী সম্ভবত নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন। ফারসি ভাষায় প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর ওপর হামলার কোনো সরাসরি প্রমাণ না থাকলেও বেশ কিছু পারিপার্শ্বিক ঘটনার ইঙ্গিত দেওয়া হয়।
ইরানি সংবাদমাধ্যমটির দাবি ছিল, বেশ কয়েকদিন ধরে নেতানিয়াহুর কোনো নতুন ভিডিও প্রকাশ না হওয়া, তার বাসভবনের নিরাপত্তা অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো এবং মার্কিন বিশেষ দূতদের পূর্বনির্ধারিত ইসরায়েল সফর স্থগিত হওয়া তার মৃত্যু বা নিখোঁজ হওয়ার জল্পনাকে উসকে দেয়। এমনকি রুশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার দাবি করেছিলেন, ইরানের হামলায় নেতানিয়াহুর গোপন আস্তানা ধ্বংস হয়েছে এবং সেখানে তার ভাইও নিহত হয়েছেন।
তবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই জল্পনার আপাতত অবসান ঘটালেন নেতানিয়াহু। অবশ্য জেরুজালেম পোস্টের দাবি, নেতানিয়াহুর অবস্থান নিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যমের এমন ধোঁয়াশা তৈরির চেষ্টা এটিই প্রথম নয়। যুদ্ধের শুরুতেও একই ধরনের অস্পষ্ট তথ্য ছড়ানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে সংবাদমাধ্যমটি।










